ওজন কমাতে প্রতিদিন যে ৫টি খাবার খাবেন

ডিমঃ প্রতিদিন একটা ডিম খেলে তার থেকে হৃদযন্ত্র বা শরীরের রক্ত সঞ্চালনে কোন ঝুঁকি তৈরি হয়না ডিমে আছে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ভিটামিন এ, ডি, বি এবং বি-টুয়েলভ্। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার বেশি খেলে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষিদে পাওয়ার প্রবণতা প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যায়। সারাদিনের ক্ষুদা দমন করতে পারে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে থাকে ।

সবুজ শাকসবজিঃ সবুজ শাকসবজি ক্যালোরি না বাড়িয়ে আপনার খাবারের পরিমাণ বৃদ্ধি করার জন্য একটি দুর্দান্ত উপায়। সবুজ শাকসবজি অবিশ্বাস্যভাবে পুষ্টিকর এবং অনেক ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজ পদার্থ থাকে যাতে ক্যালসিয়াম অনেক বেশি পাওয়া যায়, যা ওজন বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে।

সেদ্ধ আলুঃ সিদ্ধ আলু ওজন কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করে । আলুতে পর্যাপ্ত খাদ্য উপাদান থাকার কারনে খাবারকে পুস্টি সমৃদ্ধ্য করে তোলে যা ওজন কমানো এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়।

আয়রন সমৃদ্ধ খাবারঃ আপনি যদি ওজন কমাতে চান তবে আয়রন-সমৃদ্ধ খাবার খান। যেমন : পুঁইশাক, কচু, লতি ইত্যাদি। ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারঃ খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম-সমৃদ্ধ খাবার রাখতে কখনো ভুলবেন না। আপনি যখন ওজন কমাতে চাইবেন তখন দুধ, দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, মাছ ইত্যাদি খান।

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারঃ খাদ্যতালিকায় ক্যালসিয়াম-সমৃদ্ধ খাবার রাখতে কখনো ভুলবেন না। আপনি যখন ওজন কমাতে চাইবেন তখন দুধ, দুগ্ধজাত খাবার, ডিম, মাছ ইত্যাদি খান।

কোনটি খাবেন-ব্রাউন না হোয়াইট ব্রেড !!

সারা দিনের সতেজতার জন্য দিনের শুরুর খাবারটি গুরুত্বপূর্ণ। সকালের খাদ্য তালিকায় কেউ খান ব্রাউন ব্রেড, কেউ হোয়াইট ব্রেড। আসলে কোনটি খাবেন?

পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার বলেন, হোয়াইট ব্রেডে আঁশের পরিমাণ কম, এর গ্লাইসেমিক সূচকও বেশি। গ্লাইসেমিক সূচকের দিক দিয়ে হোয়াইট ব্রেড আর সহজ শর্করার মধ্যে তেমন পার্থক্য নেই। ডায়াবেটিস ও ওজনাধিক্য রোগীদের জন্য নিয়মিত না খাওয়া ভালো। রুটি যদি খেতে হয়, তাহলে ব্রাউন ব্রেড খাওয়া উচিত।

কোনটি খাবেন-ব্রাউন না হোয়াইট ব্রেড !!

হোয়াইট ব্রেডের চেয়ে ব্রাউন ব্রেড বেশি পুষ্টিকর। ব্রাউন ব্রেড শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। হোয়াইট ব্রেডের তুলনায় ব্রাউন ব্রেডে অনেক কম ক্যালরি থাকে। তাই ব্রাউন ব্রেড খেলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে না।

ব্রাউন ব্রেড খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ব্রাউন ব্রেড হজম করতে যেমন কষ্ট হয় না, তেমনি এতে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার থাকার করণে এটি খেলে নানা ধরনের পেটের রোগ হওয়ার আশঙ্কাও কমে।

হোল গ্রেন দিয়ে তৈরি হওয়ার করণে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ভূমিকা রাখে ব্রাউন ব্রেড। প্রতিদিন ব্রাউন ব্রেড খেলে প্রায় ৪০ শতাংশ ওজন হ্রাস পায়। ব্রাউন ব্রেড রক্তচাপ কমায়। দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও নানাভাবে সাহায্য করে। তবে হোয়াইট ব্রেড পাকস্থলীর জন্য উপকারী। হোয়াইট ব্রেড পাকস্থলীতে উপকারী ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে সাহায্য করে। পাকস্থলীতে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা মাইক্রোবাইয়োম সুস্বাস্থ্যের জন্য খুবই জরুরি। এগুলো রোগ প্রতিরোধব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে। মাইক্রোবাইয়োমের ঘাটতি মানুষকে ভাইরাস, ইনফেকশন ও অ্যালার্জির শিকারে পরিণত করতে পারে। আর হোয়াইট ব্রেড শরীরে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়া ল্যাকটোব্যাসিলাসের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

ব্রাউন ব্রেডে ভিটামিন ও মিনারেলের মাত্রা সঠিক পরিমাণে থাকে। এটি স্বাস্থ্যসম্মত ও খুব পুষ্টিকর। খেতে সুস্বাদু হলেও রিফাইন বা পরিশোধিত হোয়াইট ব্রেডের পুষ্টিগুণ কম। পরিশোধনের ফলে দেহের জন্য উপকারী কিছু ভিটামিন ও মিনারেল নষ্ট হয়ে যায়। আঁশের পরিমাণ কম, এর গ্লাইসেমিক সূচকও বেশি। ব্রাউন ব্রেডের অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। লিগনান নামক এক ধরনের উপাদান থাকায় ক্যানসার প্রতিরোধ করে। অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ ডায়াবেটিস রোগের জন্য উপকারী। কারণ, এটি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। হৃদ্‌যন্ত্রের জন্যও উপকারী। প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকায় রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ব্রাউন ব্রেড ওজন কমাতে সহায়তা করে। কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে। বাদামি যেকোনো খাবারই অন্যান্য সাদা খাবারের তুলনায় অনেক বেশি উপকারী।

অনেকের শরীরে হোয়াইট ব্রেড বেশি তাড়াতাড়ি পরিপাক হয়, কারও শরীরে ব্রাউন ব্রেড পরিপাক হয় সহজে। তাই যদি হোয়াইট ব্রেড খেয়ে কোনো সমস্যা না হয়, আপনি স্বাস্থ্যের চিন্তা না করেই তা খেতে পারেন। কিন্তু স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করলে ব্রাউন ব্রেড খাওয়াই উত্তম।

** হার্ব আটা দিয়ে তৈরী হয় ব্রাউন ব্রেড

** হার্ব আটা হোল গ্রেন দিয়ে তৈরি হওয়ার করণে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

** হার্ব আটার অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ ডায়াবেটিস রোগের জন্য উপকারী। কারণ, এটি রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

** হার্ব আটা হৃদ্‌যন্ত্রের জন্যও উপকারী।

** হার্ব আটার তৈরী ব্রাউন ব্রেড রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

** হার্ব আটা কোষ্ঠকাঠিন্য দুর করতেও সাহায্য করে।

যেহেতু বাদামি যেকোনো খাবারই অন্যান্য সাদা খাবারের তুলনায় অনেক বেশি উপকারী, তাই হার্ব আটার তৈরী যে কোন খাবার অন্যান্য সাদা যে কোন খাবারের তুলনায় অনেক বেশি উপকারী। হার্ব আটার তৈরী রুটি ও যে কোন খাবার ছোট বড় সকলের জন্যই উপযোগী।